সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭ ইং ৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ,১ রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী

ইসলামে বিয়ের সঠিক বয়স

AmaderIslam.COM
মার্চ ১৩, ২০১৭
news-image

ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ: ইসলাম বিয়ের ক্ষেত্রে কোন সময় সীমা বেধে দেয়নি। বরং ইসলাম প্রাপ্তবয়স হওয়ার উপরে গুরুত্ব দিয়েছে। আর প্রাপ্তবয়স হওয়ার বিষয়টা কোন বয়সের সাথে সম্পর্কিত বিষয় নয়। প্রাপ্তবয়স হওয়ার বিষয়টি পরিবেশ পরিস্থিতির উপর নির্ভর করে। যার কারণে দেখা যায় অনেকে ১৪-১৫ বছর বয়সে প্রাপ্তবয়স্ক হয় আবার অনেকে ২০-২১ বছর বয়সে হয়। কোন নির্দিষ্ট বয়সের সাথে প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার কোন ইসম্পর্ক নেই। দৈনিক আমাদের অর্থনীতিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে একথা বলেন শোলাকিয়া ঈদগাহের ইমাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ।

বিশেষ প্রেক্ষাপটে বিয়ের বয়স সীমা শিথিল করে সরকার যে আইন করেছেন সেটা অবশ্যই বাস্তব সম্মত আইন করা হয়েছে। আসলে বর্তমান সরকার যে জনগণের সরকার এবং তারা যে সকল কাজ বাস্তবতার নিরিখেই করে এই আইনের মাধ্যমে সেটাই প্রমাণিত হয়েছে। এই আইন করার কারণে আমি ব্যক্তিগতভাবে সরকারকে ধন্যবাদ জানাই। আইনটি এভাবে করার কারণে দেশের সাধারণ মানুষ অনেক বেশি উপকৃত হবে বলে আমি আশা করি।    তবে কে আসলেই প্রাপ্তবয়সে উপনীত হয়েছে আর কে উপনীত হয়নি এই বিষয়টি নির্ধারণ করার জন্য যে কোন অভিজ্ঞ ও ধার্মিক মুসলিম ডাক্তারের স্মরণাপন্ন হওয়া যেতে পারে। স্বাভাবিকভাবে ছেলে ও মেয়েরা কত বছর বয়সে প্রাপ্তবয়স্ক হয় এমন প্রশ্নের উত্তরে ফরীদ উদ্দীন মাসউস বলেন, এর জন্য কোন বয়স নেই। এবং নির্ধারিত ভাবে কোন বয়সের কথা বলাও যাবে না। তবে সাধারণত যারা শীত প্রধান দেশে বাস করে তারা প্রাপ্তবয়স্ক হয় একটু দেরিতে। আর যারা গরম প্রধান দেশে বাস করে তারা প্রাপ্তবয়স্ক হয় একটু দ্রæত সময়ে।

বিশেষ প্রেক্ষাপটে বিয়ের বয়স সীমা শিথিল করে বর্তমান সরকার আইন পাশ করার কারণে কিছু লোক এই বিষয়টি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করছে তো এই বিষয়টিকে আপনি কিভাবে দেখছেন, এমন প্রশ্নের উত্তরে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ বলেন, যারা সরকারের এই বিষয় নিয়ে সমালোচনা করছে তারা আসলে বাস্তবতার সাথে নেই। তারা মূলত সারাদিন এসিতে বসে রাজনীতি করে তাই তারা এমন কথা বলছে। যারা বাস্তববাদি, যারা বাস্তবতা বোঝে তারা কখনো বিশেষ প্রেক্ষাপটে বিয়ের বয়সসীমা শিথিল করার বিষয়ে কোন কথা বলতে পারে না।