মঙ্গলবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং ১১ আশ্বিন, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ,৫ মুহাররম, ১৪৩৯ হিজরী

নারীদের চুলকাটা ও ভ্রু প্লাক বিষয়ে ইসলাম কী বলে?

AmaderIslam.COM
মার্চ ২০, ২০১৭
news-image

ওমর শাহ : যদি কোনো নারীর মুখে দাড়ি গজায় বা অন্য কোনো অনাকাক্সিক্ষত স্থানে লোম বা চুল গজায় তাহলে তা তুলে ফেলা মুস্তাহাব, (ফাতহুল বারী)। কিন্তু উল্লেখিত অনাকাক্সিক্ষত লোম বা চুল ব্যতীত অন্যান্য পশম বা চুল তুলে ফেলা অনুচিত। যেমন, ভ্রু চিকন করা কিংবা দুই ভ্রুর মাঝে ছেদ সৃষ্টি করা মাকরুহ। হাদিসে এই ধরনের নারীদেরকে ‘মুতানাম্মিসাত’ বলা হয় এবং তাদের অভিশাপ করা হয়েছে, (বুখারি)।

হাদিস থেকে যা জানা যায় তা হলো, চুল রাখা এবং কাটার ক্ষেত্রেও অমুসলিমদের অনুসরণ ইসলামী শরীআত অপছন্দ করেছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুরুতে মক্কার কাফেরদের সাদৃশ্যের কারণে মাথায় সিঁথি কাটা বর্জন করেছিলেন এবং পরে ইহুদিদের সাদৃশ্যের কারণে সোজা চুল রাখা ছেড়ে দিয়েছেন।

নারীদের চুল রাখা ও কাটার ক্ষেত্রে নতুন নতুন যে সব ফ্যাশন তৈরি হয়েছে তা খুবই ভয়াবহ। বিশেষ করে পশ্চিমা সভ্যতার নায়ক-নায়িকাদের আদর্শ অনুসরণ এখন ব্যাপকতা চোখে পড়ার মতো। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নারীদের পুরুষের সাদৃশ্য গ্রহণ করতে নিষেধ করেছেন। তাই নারীদের পুরুষর মতো চুল রাখা কোনো অবস্থাতেই মাকরুহ থেকে মুক্ত নয়।

দুররে মুখতার গ্রন্থে আছে, যদি কোনো নারী তার মাথার চুল পুরুষের সাদৃশ্যে কাটায় তাহলে সে গুনাগার হবে এবং অভিশাপ যোগ্য বলে বিবেচিত হবে। ( দুররে মুখতার)।