সোমবার, ২০ নভেম্বর, ২০১৭ ইং ৬ অগ্রহায়ণ, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ,১ রবিউল-আউয়াল, ১৪৩৯ হিজরী

রমজান উপলক্ষে সাহাবাদের প্রতি মহানবী সা.র উপদেশ

AmaderIslam.COM
মে ২৮, ২০১৭
news-image

ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ : রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজান মাসে সাহাবিদের বিভিন্নভাবে উপদেশ দিতেন, বাতলে দিতেন সত্য ও ন্যয়ের পথ। এই বিষয়ে বিভিন্ন হাদিস হতে প্রমাণ পাওয়া যায়। ইবনে উমর (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রমজানের শেষ দশ দিনে এতেকাফ পালন করতেন, মসজিদে খেজুর গাছের শাখায় বানানো তাঁবু টানাতেন। তিনি বলেন, একদিন তিনি মুখমন্ডল বের করে ইরশাদ করলেন, সালাত আদায়কারী তার রবের সাথে মোনাজাত করে, তোমাদের প্রত্যেকের ভাবা উচিত, সে কীসের মাধ্যমে তার রবের সাথে মোনাজাত করবে। তোমাদের কেউ (অপরকে কষ্ট প্রদান করে এমন) উচ্চস্বরে পাঠ করবে না। (আহমদ : ৫৩৫৯)
মানুষের আত্মা সৎ ও সঠিক পথে বহাল ও দৃঢ় থাকার জন্য প্রয়োজন তাকে সর্বদা সজাগ রাখা, ওয়াজ বা উপদেশ প্রদানের মাধ্যমে সতেজ রাখা, উদ্বুদ্ধ করা এবাদতের পথে। রমজানের দিবস ও রাত্রিগুলো, সন্দেহ নেই, মানুষকে উপদেশ প্রদান ও ওয়াজ-নসিহতের জন্য খুবই উপযোগী। এ মহান সময়গুলোতে দায়ি ও মুসলিহগণ আল্লাহর মহত্ত্ব ও সিফাত বিষয়ে মানুষকে জানাবে, উন্মোচন করবে আত্মার স্বরূপ,পার্থিব বিষয়ের প্রকৃতি, তার ক্ষণস্থায়িত্ব, আখেরাতের মাহাত্ম্য ও চিরস্থায়িত্বÑইসলামি জীবনাচারের এ মৌলিক বিষয়গুলোর ব্যাপারে সকলকে অবহিত করবে। তাদের জানাবে, বান্দার পরিণতি হয়তো চিরস্থায়ী জান্নাত কিংবা জাহান্নাম। কুরআনে এসেছে, জাহান্নাম যার ইন্ধন হবে মানুষ ও পাথর, তার পাহারায় থাকবে কঠিন-কঠোর ফেরেশতাগণ, যারা আল্লাহর নির্দেশ বিষয়ে অবাধ্যতায় লিপ্ত হয় না, বরং, পালন করে যায়, যা তাদের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। (সূরা আত তাহরিম, আয়াত ৬)