বুধবার, ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০ ইং ৭ ফাল্গুন, ১৪২৬ বঙ্গাব্দ,২৪ জমাদিউস-সানি, ১৪৪১ হিজরী

ইসলামি ব্যাংকিয়ের ভবিষ্যত উজ্জ্বল এশিয়ায় : এডিবি

AmaderIslam.COM
জুলাই ২৮, ২০১৮
news-image

নূর মাজিদ: এশিয়ায় ইসলামি শরিয়া আইনের ভিত্তিতে পরিচালিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল জানিয়েছে এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক। এশিয়ায় বিশ্বের শতকরা ৬০ ভাগ মুসলিম জনসংখ্যা বসবাস করেন। পাশাপাশি মহাদেশটির দ্রুত বর্ধনশীল মধ্যবিত্ত শ্রেণী ইসলামি ব্যাংকিং এর দ্রুত প্রসারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। এশিয় উন্নয়ন ব্যাংক ( এডিবি) এর সাম্প্রতিক প্রকাশিত ‘ইসলামি ব্যাংকিং এন্ড ফাইন্যান্স ইন এশিয়া’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এসব তথ্য জানানো হয়।

এই রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়, ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার পেছনে এশিয়ায় জোরালো রাজনৈতিক সমর্থন রয়েছে। এছাড়াও, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিনিয়োগকারী এমন ব্যাংকিং ব্যবস্থায় দৃঢ় আস্থা রাখেন। বিশেষ করে ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার সমর্থনে বিভিন্ন সরকারের কর রেয়াত এই ব্যবসার সম্প্রসারণে সহায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করেছে।

এই ব্যবসায়ের ভবিষ্যৎ সম্পর্কে এডিবি প্রতিবেদনে আরো উল্লেখ করা হয়, দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় দ্রুতগতিতে মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর পাশাপাশি এই অঞ্চলের মুসলিম অধিবাসীদের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন ঘটছে এবং ভোগ্যপণ্যের চাহিদাও বৃদ্ধি পাচ্ছে। ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার সুদবিহীন পণ্যভিত্তিক ব্যবসায়িক মুনাফা ব্যবস্থা এই ক্রমবর্ধমান জনগোষ্ঠীর মাঝে একটি গ্রহঞ্জোগ্যতার জায়গা তৈরি করে নিচ্ছে। বিশেষ করে, মালয়েশিয়া ভিত্তিক ইসলামিক ফাইন্যান্স বাজার এই ক্ষেত্রে মূল পরিচালকের ভুমিকায় অবতীর্ণ হয়েছে। দেশটিতে ইসলামিক ব্যাংকিং ব্যবস্থা প্রচ- জনপ্রিয়। এবং সমগ্র বিশ্বের ইসলামি ব্যাংকিং ব্যবস্থার ১০ শতাংশ মালয়েশিয়াই নিয়ন্ত্রণ করে। মালয়েশিয়ার বাহিরে এশিয়ার অন্যান্য মুসলিম দেশ যেমন পাকিস্তান, ইন্দোনেশিয়া এবং ব্রুনাই দারেস সালামে ইসলামি ব্যাংকিং নিজেদের অবস্থান শক্ত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে সমর্থ হয়েছে। বিশেষত, এখন সামাজিকভাবেও এই সমস্ত দেশে এই ব্যবসায়ের একটি মূল্যবোধ ও গ্রহণযোগ্যতার জায়গা তৈরি হয়েছে।

এশিয় ব্যাংক আরো জানাচ্ছে, উত্তর আমেরিকা এবং ইউরোপের তুলনায় সমগ্র এশিয়ায় ইসলামি ব্যাংকের ভবিষ্যৎ বাজার আরো দৃঢ় অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়ে যাবে। দ্য ডন